হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুলাই ৩, ২০২৬

শান্তি আলোচনার সময় আরাঘচি ও গালিবাফকে হত্যার আশঙ্কা, ইরানকে গোপনে সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: প্রতিবেদন

By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বেঙ্গল টাইমস

ae5c2281-acb2-47fe-82a8-6d2a77bc2aa4

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি আলোচনা চলাকালে ইসরাইল ইরানের দুই শীর্ষ আলোচককে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে—এমন আশঙ্কায় তেহরানকে গোপনে সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

একই ধরনের তথ্য প্রকাশ করেছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।শান্তি আলোচনার দুই প্রধান মুখ ছিলেন সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শান্তি আলোচনা চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ ছিল—ইসরাইল যদি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফকে হত্যা করে, তাহলে চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ভেঙে পড়তে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আশঙ্কার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি অংশীদার দেশের মাধ্যমে ইরানকে গোপন বার্তা পাঠায়।

ওই বার্তায় দুই শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকির কথা জানিয়ে তাদের নিরাপত্তা জোরদারের পরামর্শ দেওয়া হয়।

কূটনীতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা ছিল ওয়াশিংটনেরপ্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের মূল্যায়ন ছিল—আরাঘচি বা গালিবাফ নিহত হলে শান্তি আলোচনা কার্যত ভেস্তে যেতে পারে এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

 সেই কারণেই যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে নয়, বরং নীরবে কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে।

পরবর্তীতে দুই ইরানি কর্মকর্তাই আলোচনায় অংশ নেন এবং শান্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে ভূমিকা রাখেন।

হত্যার পরিকল্পনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য নেই

যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরাইল—কোনো পক্ষই প্রকাশ্যে এ ধরনের হত্যার পরিকল্পনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেনি। তবে বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে এ নিয়ে বাস্তব উদ্বেগ ছিল।

সেই কারণেই আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানকে আগাম সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল।বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা দেখায় যে সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি পর্দার আড়ালেও সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতা চলছিল। আলোচনার প্রধান ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে শান্তি প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে বিবেচনা করেছিল ওয়াশিংটন।