হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুলাই ১৮, ২০২৬

জন্তরমন্তরে সোনম ওয়াংচুকের অনশনে সংহতি সুপ্রিয়া সুলের, সরব কেন্দ্রের নীতি নিয়ে

By নিজস্ব প্রতিবেদক | বেঙ্গল টাইমস, প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬

IMG_8288

লাদাখের সুরক্ষায় এবং সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবিতে দিল্লির জন্তরমন্তরে চলমান অনশন কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সংহতি জানালেন এনসিপি (এসপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে। পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক এবং সিজেপি (CJP) প্রতিবাদীদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়ে এদিন কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন বর্ষীয়ান এই নেত্রী।

জন্তরমন্তরে সংহতির বার্তা:

শুক্রবার দিল্লির জন্তরমন্তরে পৌঁছে আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুক ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটান সুপ্রিয়া সুলে। লাদাখের পরিবেশ রক্ষা এবং ষষ্ঠ তফশিলের অন্তর্ভুক্তির দাবিতে যে লড়াই সোনম ওয়াংচুক শুরু করেছেন, তাকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন তিনি। সুপ্রিয়া সুলে বলেন, "দেশ এবং পরিবেশ রক্ষার এই লড়াইয়ে আমরা প্রতিটি মুহূর্তে প্রতিবাদীদের পাশে আছি।

তাঁদের দাবিগুলো কেবল লাদাখের নয়, গোটা ভারতের স্বার্থে।"

কেন এই আন্দোলন?

লাদাখের ভঙ্গুর হিমালয় অঞ্চলকে শিল্পায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে রক্ষা করতে দীর্ঘদিন ধরেই সোচ্চার সোনম ওয়াংচুক। তাঁর নেতৃত্বে সিজেপি-সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন দাবি তুলেছে—লাদাখকে ভারতের সংবিধানের ষষ্ঠ তফশিলের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যাতে সেখানকার জনজাতি এবং পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই অনশন কর্মসূচি কেন্দ্র সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রাজনৈতিক উত্তাপ:

সুপ্রিয়া সুলের এই সফরকে রাজনৈতিক মহলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বিরোধী জোটের গুরুত্বপূর্ণ নেত্রী হিসেবে তাঁর এই উপস্থিতি বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, লাদাখের ইস্যুটি এখন কেবল পরিবেশগত গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই; এটি জাতীয় রাজনীতির একটি বড় এজেন্ডা হয়ে উঠেছে।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের উন্নয়ন মডেলের কঠোর সমালোচনা করে সুপ্রিয়া বলেন, "পরিবেশকে ধুলিসাৎ করে যে উন্নয়ন, তা কখনো দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।"রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদীয় রাজনীতির বাইরে গিয়ে এভাবে রাজপথে এসে সংহতি জানানো সুপ্রিয়া সুলের রাজনৈতিক অবস্থানের স্পষ্ট প্রতিফলন। তবে কেন্দ্রীয় সরকার এই দাবিগুলো নিয়ে এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট আলোচনার পথ খোলা রাখেনি, যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মনে।