হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুলাই ৯, ২০২৬

পঞ্চদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান ফেরানোর হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল আপিল বিভাগ

By নিজস্ব প্রতিবেদক | বেঙ্গল টাইমস, ঢাকা | ৯ জুলাই ২০২৬

1c81e40c-e38e-40a7-b3a4-71a15f804002

বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ-সংক্রান্ত আপিল খারিজ করে দেন।

এর ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপ, গণভোটের বিধান বাতিলসহ পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল থাকল।

রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলগুলো আপিল বিভাগ খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের রায়ে হাইকোর্ট চারটি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল, গণভোটের বিধান পুনরায় কার্যকর করা এবং সংবিধানের ৭ক ও ৭খ অনুচ্ছেদ বাতিলসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বহাল রাখা।

মামলার পটভূমি

পঞ্চদশ সংশোধনীকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে মোট তিনটি পৃথক আপিল করা হয়েছিল।

আপিলকারীদের মধ্যে ছিলেন—

* সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ চার বিশিষ্ট ব্যক্তি;

* নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন;

  • * জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।গত ৬ জুলাই আপিলগুলোর ওপর শুনানি শুরু হয়।
  • টানা তিন দিনের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ।
  • আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া

সুজনের সম্পাদকসহ চার ব্যক্তির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেওয়া জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া বলেন,

আপিল বিভাগের এ রায়ের ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকল।

তার মতে, এই রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালসংক্রান্ত হাইকোর্টের

সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকায় দেশের নির্বাচনব্যবস্থা নিয়ে নতুন সাংবিধানিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে।

তবে এই রায়ের বাস্তবায়ন এবং এর ফলে সংবিধান ও নির্বাচনব্যবস্থায় কী ধরনের পরিবর্তন আসবে, তা পরবর্তী আইনি ও সাংবিধানিক পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে।