হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুলাই ৯, ২০২৬

হাসনাত আবদুল্লাহর উপস্থিতিতে ফেনীতে এনসিপির কর্মসূচিতে দুই দফা হাতাহাতি

By নিজস্ব প্রতিবেদক, ফেনী | ৯ জুলাই ২০২৬

IMG_8049

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ফেনীতে একদিনে দুই দফা হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। প্রথম দফায় সোনাগাজীতে পদযাত্রার উদ্বোধনী মঞ্চে এবং দ্বিতীয় দফায় সন্ধ্যায় ফেনী শহরে দলের দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

উভয় ঘটনাতেই এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে সোনাগাজী উপজেলা চত্বরে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক পদযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে মঞ্চে অবস্থান, নেতাদের বসার স্থান এবং কর্মসূচি পরিচালনা নিয়ে স্থানীয় দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নিলে মঞ্চে সাময়িক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় এবং অনুষ্ঠান কিছু সময়ের জন্য স্থগিত রাখা হয়।পরে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর হাসনাত আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

বক্তারা জুলাই আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। বক্তব্য শেষে পদযাত্রা শুরু হয়, যেখানে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এর আগে বিকেলে হাসনাত আবদুল্লাহ ফুলগাজী উপজেলার আনন্দপুর ইউনিয়নে জুলাই আন্দোলনে নিহত ইশতিয়াক আহমেদ শ্রাবণের কবর জিয়ারত করেন। তিনি সেখানে দোয়া করেন এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান।

পদযাত্রা শেষে সন্ধ্যায় হাসনাত আবদুল্লাহ ও কেন্দ্রীয় নেতারা ফেনী শহরে পৌঁছালে আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় নেতাদের ঘিরে অবস্থান নেওয়া এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সেটি হাতাহাতিতে রূপ নেয়। উপস্থিত নেতাকর্মীরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে উভয় পক্ষকে সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকেও ঘটনাদ্বয় নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।