গ্রীষ্মকালীন সামরিক মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রশংসা
By নিজস্ব প্রতিবেদক | বেঙ্গল টাইমস, প্রকাশ: ০৭ জুলাই, ২০২৬
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন সামরিক মহড়া পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি মহড়ায় অংশ নেওয়া সেনাসদস্যদের বিভিন্ন কৌশলগত ও যুদ্ধ প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন এবং তাদের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেন।সেনাবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ এলাকায় আয়োজিত এ মহড়ায় আধুনিক যুদ্ধ কৌশল, সমন্বিত অভিযান, দ্রুত মোতায়েন সক্ষমতা, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক সক্ষমতার বিভিন্ন দিক প্রদর্শন করা হয়।
সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট এতে অংশ নেয়।মহড়া পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
আধুনিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাহিনীর সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
তিনি বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বাস্তবতায় প্রশিক্ষিত, আধুনিক ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা সময়ের দাবি।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার প্রতিরক্ষা খাতের আধুনিকায়ন, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সংযোজনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনা সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের প্রশংসা করেন।
তিনি সেনাবাহিনীর বিভিন্ন আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতার প্রদর্শনীও পরিদর্শন করেন।মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান, সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা।
তারা মহড়ার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন এবং বাহিনীর চলমান আধুনিকায়ন কার্যক্রম তুলে ধরেন।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও মৌসুমি মহড়ার মাধ্যমে সদস্যদের যুদ্ধ প্রস্তুতি, আন্তঃবাহিনী সমন্বয় এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি শান্তিরক্ষা মিশন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং জাতীয় সংকট মোকাবিলায় বাহিনীর দক্ষতা বৃদ্ধিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গ্রীষ্মকালীন এ মহড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাগত সক্ষমতা, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদর্শন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।