হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুলাই ২৭, ২০২৬

ভারতের পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারে প্রধানমন্ত্রী মোদির উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স ঘোষণা

By বেঙ্গল টাইমস ডেস্ক, প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২৬

b2381fae-22f6-4f8a-be56-743144c0a6a2

নয়াদিল্লি: ভারতের জাতীয় পরীক্ষা ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

রোববার (২৬ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, নতুন এই টাস্কফোর্সের সুপারিশ ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের জাতীয় পরীক্ষাগুলোর নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পরীক্ষা সংস্কারে সরকারের কঠোর অবস্থান

প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষা জালিয়াতি এবং অন্যান্য অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলেছে, তাদের অনেককেই ইতোমধ্যে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”

এছাড়া পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সে যাঁরা রয়েছেন

পরীক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক সংস্কার আনতে গঠিত টাস্কফোর্সে দেশের খ্যাতিমান প্রযুক্তিবিদ, শিক্ষাবিদ ও প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তাদের মধ্যে রয়েছেন—

  •  এস সোমনাথ — ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO)-এর সাবেক চেয়ারম্যান।
  •  তপন ডেকা — ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (IB) সাবেক পরিচালক।
  •  ভি কামাকোটি — আইআইটি মাদ্রাজের (IIT Madras) পরিচালক।
  •  অনিতা কাওয়াল — ভারতের সাবেক শিক্ষা সচিব।
  • অমৃত লাল মিনা — অবকাঠামো ও লজিস্টিক খাতের বিশেষজ্ঞ।
  • বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা

শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে,

নন্দন নিলেকানির প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং টাস্কফোর্সের অন্যান্য সদস্যদের প্রশাসনিক ও একাডেমিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে ভারতের পরীক্ষা ব্যবস্থায় যুগোপযোগী সংস্কার আনা সম্ভব হবে।

তাদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষা জালিয়াতি এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দুর্বলতা কমে আসবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠবে, যা শিক্ষার্থীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।