হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুন ৩০, ২০২৬

পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ছাড়াল ৩,৪২৯ কোটি টাকা, ঋণের ১৬ কিস্তি পরিশোধ সম্পন্ন

By বেঙ্গল টাইমস ডেস্ক

IMG_7677

ঢাকা: উদ্বোধনের চার বছর পূর্তির আগেই পদ্মা সেতু থেকে টোল আদায় ৩ হাজার ৪২৯ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে। একই সময়ে সেতু ব্যবহার করে পারাপার হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৬৯ লাখ যানবাহন। এ ছাড়া সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত এই মেগা প্রকল্পের ঋণের নির্ধারিত ১৬টি কিস্তিও পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে কোনো কিস্তি বকেয়া নেই বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাসুদ রানা শিকদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

চার বছরে টোল আদায়ে নতুন মাইলফলক

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২২ সালের ২৬ জুন যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকে ২০২৬ সালের ২৯ জুন পর্যন্ত পদ্মা সেতু দিয়ে মোট ২ কোটি ৬৮ লাখ ৬২ হাজার ৮০৮টি যানবাহন চলাচল করেছে।

এই সময়ে টোল বাবদ মোট ৩ হাজার ৪২৯ কোটি ৪৫ লাখ ২৫ হাজার ৫৫০ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা দেশের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পটির আর্থিক সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ঋণের ১৬ কিস্তি পরিশোধ, নেই কোনো বকেয়া

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকারের অর্থ বিভাগের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী ১ শতাংশ সুদে ৩৫ বছরের মধ্যে সুদসহ মোট ৩৬ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে।

এই চুক্তি অনুযায়ী প্রতি অর্থবছরে চারটি কিস্তিতে মোট ১৪০টি কিস্তির মাধ্যমে ঋণ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইতোমধ্যে নির্ধারিত ১৬টি কিস্তি সময়মতো পরিশোধ করা হয়েছে এবং বর্তমানে কোনো কিস্তি বকেয়া নেই।

নির্মাণ ব্যয় ও প্রকল্পের পটভূমি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, ২০০২ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে পদ্মা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়।

ওই সমীক্ষার ভিত্তিতে চার লেনের মহাসড়ক ও ভবিষ্যৎ রেল সংযোগের প্রাথমিক কারিগরি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। পাশাপাশি মাওয়া প্রান্তে সেতুর অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণ, সংযোগ সড়ক ও নদীশাসনের জন্য প্রয়োজনীয় জমির সীমানা নির্ধারণ এবং প্রাথমিক নকশা প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন হয়, যা পরবর্তী সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ওই সমীক্ষার ভিত্তিতে চার লেনের মহাসড়ক ও ভবিষ্যৎ রেল সংযোগের প্রাথমিক কারিগরি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।

পাশাপাশি মাওয়া প্রান্তে সেতুর অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণ, সংযোগ সড়ক ও নদীশাসনের জন্য প্রয়োজনীয় জমির সীমানা নির্ধারণ এবং

প্রাথমিক নকশা প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন হয়, যা পরবর্তী সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।