হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published মে ২৬, ২০২৬

ঈদযাত্রায় পদ্মা সেতুতে রেকর্ডের কাছাকাছি টোল আদায়, ২৪ ঘণ্টায় আয় প্রায় ৫ কোটি টাকা

By স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা, ২৬ মে ২০২৬ 

IMG_6274

পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে Padma Bridge-এ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের দীর্ঘতম এই সেতু দিয়ে ৪৩ হাজার ৩৫১টি যানবাহন চলাচল করেছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা।

মঙ্গলবার সকালে পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাঈদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এবার ঈদুল ফিতরের তুলনায় যানবাহনের চাপ এবং টোল আদায়—দুই ক্ষেত্রেই বৃদ্ধি দেখা গেছে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মাওয়া প্রান্ত দিয়ে ২৮ হাজার ৬৭টি যানবাহন সেতু পারাপার করেছে। এতে ওই প্রান্তে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬৪ লাখ ২১ হাজার টাকা। অন্যদিকে জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১৫ হাজার ২৮৪টি যানবাহন চলাচল করেছে এবং সেখান থেকে আদায় হয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫০ টাকা।

এর আগে গত ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ১৮ মার্চ এক দিনে সর্বোচ্চ ৪১ হাজার ৮৮৫টি যানবাহন পদ্মা সেতু পার হয়েছিল। তখন টোল আদায় হয়েছিল ৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকার বেশি।

টোল আদায়ের হিসাবে এবারের আয় এযাবৎকালের চতুর্থ সর্বোচ্চ। সর্বোচ্চ আদায়ের রেকর্ড রয়েছে ২০২৫ সালের ৬ জুন, যখন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে এক দিনে ৫২ হাজার ৪৮৭টি যানবাহন চলাচল করেছিল এবং টোল উঠেছিল ৫ কোটি ৪৩ লাখ ২৮ হাজার ১০০ টাকা। এছাড়া একই বছরের ঈদুল ফিতরে ৪ কোটি ৮৯ লাখ ৯৪ হাজার ৭০০ টাকা এবং ২০২৪ সালের ১৪ জুন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৩০ হাজার ১০০ টাকা টোল আদায় হয়েছিল।

বর্তমানে মোটরসাইকেল থেকে শুরু করে বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি—সব ধরনের যানবাহনের জন্য পৃথক টোল নির্ধারিত রয়েছে। মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুরকে যুক্ত করা পদ্মা সেতু দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াতে নতুন গতি এনে দিয়েছে।

সেতুর দুই প্রান্তে মাওয়া ও জাজিরা টোল প্লাজায় চালু রয়েছে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) ব্যবস্থা। আরএফআইডি কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়ের ফলে যানবাহনকে দীর্ঘক্ষণ থামতে হচ্ছে না, ফলে ঈদযাত্রাও অনেকটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়াদ জানান, ঈদুল আজহায় সাধারণত যানবাহনের চাপ বেশি থাকে। কারণ এ সময় মানুষ গ্রামে ফিরতে বেশি আগ্রহী হয় এবং কোরবানির পশুবাহী গাড়ির সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

এদিকে মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল হায়দার বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য এবারের ঈদযাত্রা অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক। 

 যানবাহনের চাপ থাকলেও কোথাও বড় ধরনের যানজট তৈরি হয়নি।