পাহাড়ের জটিল বাস্তবতা: ছাত্রজীবন থেকে সশস্ত্র সংগঠনে দিপেন চাকমার অভিযাত্রা
By স্টাফ রিপোর্টার
হ্যাঁ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী দিপেন চাকমা, যিনি “দীঘোল” নামেও পরিচিত। বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, তিনি বর্তমানে পাহাড়ি একটি সশস্ত্র সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং জেএসএস এর প্লাটুন কমান্ডার।বিদেশে প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে তিনি পাহাড়ে সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন অপারেশনে জড়িত হন। আলোচনার বিষয় হলো—ছাত্রজীবনে তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনেও যুক্ত ছিলেন বলে জানা যায়।মজার ব্যাপার হলো দীপেন প্রথম আলো বন্ধু সভার সদস্যও বটে।এ ধরনের ঘটনা নতুন নয় বলেই অনেকে দাবি করেন। অতীতেও কিছু পাহাড়ি সংগঠনের সদস্যদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে—তারা শিক্ষাজীবনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক বা অধিকারভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় ছিলেন। এরপর ধীরে ধীরে রাজনৈতিক বা সশস্ত্র সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।সমালোচকদের মতে, কিছু এনজিও, অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক বা আন্তর্জাতিক অর্থায়নপুষ্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু তরুণকে গ্রুমিং করা হয়। পরে তাদের কেউ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে, কেউ আবার সশস্ত্র শাখায় যুক্ত হয়—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। যদিও এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত জরুরি।
এছাড়া বিভিন্ন সময়ে পাহাড়ে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালানোর প্রস্তাব উঠেছিল বলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। তবে মানবাধিকার, রাজনৈতিক সংলাপ এবং নিরাপত্তা কৌশল—এই তিনটি বিষয়কে ঘিরে সিদ্ধান্তগুলো প্রায়ই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সব মিলিয়ে পাহাড়ের পরিস্থিতি এখনো জটিল ও স্পর্শকাতর।