হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুন ১১, ২০২৬

পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি থেকে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে জুলাই মববাজরা, রাজনীতির মোহভঙ্গ: পতনের ঘণ্টা কি বেজে উঠেছে?

By সুজাউদ্দিন তুহিন, যুবনেতা ও সাবেক ছাত্রনেতা।

46627366-7D4C-4EC2-B684-B84B0F29702B

জুলাই নামের জঙ্গী মববাজেরা জামালপুরে ছাত্রলীগ কর্মীর গলায় ছুরি ধরেও জিন্দাবাদ বলাতে পারে নাই।মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে রক্তাক্ত অর্ধমৃত আমাদের ভাই তখনও শরীরের সবটুকু শক্তি দিয়ে গলা ছেড়ে বলেছে "জয় বাংলা"।দেশপ্রেম আর মেটিকুলাস ডিজাইনড ফেক জিনিসের এটাই পার্থক্য।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিভিন্ন নামে ও পরিচয়ে নতুন নতুন রাজনৈতিক শক্তির আবির্ভাব ঘটছে। কেউ নিজেদের আন্দোলনের ধারক-বাহক হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন, কেউ আবার পরিবর্তনের অগ্রদূত হিসেবে সামনে আসছেন।

কিন্তু একটি রাজনৈতিক শক্তির প্রকৃত মূল্যায়ন হয় তার স্লোগান বা পরিচয়ে নয়, বরং তার আদর্শ, কর্মপদ্ধতি এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার মাধ্যমে।

রাজনীতির ইতিহাস বলে, ক্ষণিকের আবেগ কিংবা পরিস্থিতিনির্ভর জনপ্রিয়তা দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকে না। টিকে থাকে সেই শক্তি, যার রয়েছে সুস্পষ্ট আদর্শ, সাংগঠনিক ভিত্তি এবং জনগণের আস্থা। রাজনৈতিক মতভেদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ; কিন্তু মতভেদ প্রকাশের মাধ্যম যদি সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, মব সংস্কৃতি কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতায় পরিণত হয়, তবে তা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত।

গত কিছু সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘাত, বিশৃঙ্খলা ও মব-মানসিকতার অভিযোগ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করেন, রাজনৈতিক কর্মসূচির আড়ালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তোলার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা দেশের জন্য কোনো ইতিবাচক বার্তা বহন করে না। গণতন্ত্রে রাজনৈতিক শক্তির শক্তি হওয়া উচিত জনগণের সমর্থন ও যুক্তির বলয়ে; ভয়ভীতি বা শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে নয়।

একটি রাজনৈতিক আন্দোলনের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে তার নৈতিক অবস্থান, সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধার ওপর। যদি কোনো আন্দোলন কেবল ক্ষোভ, প্রতিশোধ বা বিভাজনের রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তবে তা সময়ের পরীক্ষায় টিকে থাকতে পারে না। জনগণ শেষ পর্যন্ত বিচার করে কারা দেশের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে আদর্শ, নীতি এবং জনগণের কল্যাণমুখী কর্মসূচির ভিত্তিতে। মব সংস্কৃতি, সহিংসতা কিংবা অরাজকতার মাধ্যমে নয়। তাই আজ প্রয়োজন আরও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক চর্চা, যেখানে মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আইনের শাসনের প্রতি সম্মান অটুট থাকবে।

ইতিমধ্যেই পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে,না বুঝে জুলাই জঙ্গীদের সঙ্গ দেওয়া শিক্ষার্থী এবং

জনগনের আশি শতাংশই তাদের ভূল বুঝতে পেরে জুলাই জঙ্গীদের ত্যাগ করেছে।বাকী যে সব চোদ্ধা এখনও আছে,আমি হলফ করে বলতে পারি পরিস্থিতি সামান্য আরেকটু নড়চড় হলেই এই হালারা দেখবেন গলা ফুলিয়ে "জুলাই চু#দবে"।

৭১ দেখিনি,কিন্তু ইতিহাস জেনেছি-১৬ ডিসেম্বর বিজয় মিছিলে ওদের রাজাকার বাপ দাদারাই সবচেয়ে জোরে জয়বাংলা স্লোগান দিয়েছিলো।