রাজধানীর মাদ্রাসায় বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, ঘুমন্ত ৫ শিক্ষার্থী দগ্ধ ও আহত
By নিজস্ব প্রতিবেদক | বেঙ্গল টাইমস, ঢাকা | ১৩ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর ডেমরার একটি মাদ্রাসায় বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ ও পরবর্তী অগ্নিকাণ্ডে ঘুমিয়ে থাকা পাঁচ শিক্ষার্থী দগ্ধ ও আহত হয়েছে।
আহতদের মধ্যে চারজনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এবং একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল প্রায় ৩টার দিকে ডেমরার পূর্ব বক্সনগর এলাকার দারুল আজাদ তাকসিসি মাদ্রাসার ষষ্ঠ তলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।আহত শিক্ষার্থীরা হলো—রেজওয়ান, মো. মোদাব্বির, মো. সাফি, মো. উজাইফা ও রোমান। তাদের বয়স আনুমানিক ১২ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে।
হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে আসা মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে শিক্ষার্থীরা কক্ষে ঘুমিয়ে থাকার সময় হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে আসা মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে শিক্ষার্থীরা কক্ষে ঘুমিয়ে থাকার সময় হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।
বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষের ভেতরে আটকা পড়।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধার অভিযান চালান এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলে চারজনকে ভর্তি করা হয়।
অপর একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।
বিস্ফোরণের কারণে দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ায় শিক্ষার্থীরা আহত হয়।তিনি বলেন, আহতদের মধ্যে চারজন বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং একজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে এবং প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।এদিকে দুর্ঘটনার পর মাদ্রাসা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈদ্যুতিক সংযোগ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা দ্রুত পরিদর্শনের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।