হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুলাই ৭, ২০২৬

গাজীপুরের দুটি কারখানা পরিদর্শনে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত, শ্রমিক অধিকার ও শোভন কর্মপরিবেশে জোর

By নিজস্ব প্রতিবেদক, বেঙ্গল টাইমস, ঢাকা, ৭ জুলাই ২০২৬:

IMG_7959

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও শিল্প খাতে শ্রমিকদের অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং ন্যায্য বাণিজ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গাজীপুরের দুটি কারখানা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল।সোমবার (৬ জুলাই) অনুষ্ঠিত এ পরিদর্শনে রাষ্ট্রদূত কারখানার শ্রমিক ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আলোচনায় কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতকরণ, অভিযোগ উত্থাপনের কার্যকর ব্যবস্থা, কর্মক্ষেত্রভিত্তিক সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান এবং ন্যায্য বাণিজ্য (ফেয়ার ট্রেড) প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

বৈঠকে বাংলাদেশের শ্রম আইন সংশোধনের গুরুত্বও বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, আধুনিক ও কার্যকর শ্রম আইন শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষার পাশাপাশি ব্যবসা ও শিল্প খাতের টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করবে।

পরিদর্শনের সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর। তারা যৌথভাবে Better Work Bangladesh কর্মসূচির কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনে Better Work Bangladesh-এর মাধ্যমে কীভাবে কারখানাগুলোতে কর্মপরিবেশের উন্নয়ন, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা বৃদ্ধি, শ্রমিকদের সংগঠন করার স্বাধীনতা (Freedom of Association),

কারখানার উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং সামাজিক সংলাপ জোরদারে কাজ করা হচ্ছে, তা তুলে ধরা হয়।নেদারল্যান্ডস দূতাবাস জানায়, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে তারা বাংলাদেশের শ্রমিক ও শিল্প খাতের উন্নয়নে কাজ করতে পেরে গর্বিত।

একই সঙ্গে শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা এবং শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।এছাড়া, Team Europe Initiative in Advancing Decent Work in Bangladesh-এর আওতায় ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে নেদারল্যান্ডস। উদ্যোগটির মাধ্যমে বাংলাদেশে শ্রমিকদের সংগঠন করার স্বাধীনতা, সমষ্টিগত দরকষাকষির (Collective Bargaining) অধিকার এবং শ্রম পরিদর্শন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

শ্রমিকের অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান নিশ্চিতের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প খাতকে আরও টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের এ ধরনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।