হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published আগস্ট ১৩, ২০২৬

গ্যাসের জন্য রাতভর অপেক্ষা, মহাসড়ক অবরোধে অটোরিকশা, চালকরা।

By জামালপুর প্রতিনিধি, বেঙ্গল টাইমস, জামালপুর | ১৩ আগস্ট ২০২৬

IMG_8924

সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও গ্যাস না পাওয়ার অভিযোগে জামালপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন অটোরিকশাচালকরা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

অবরোধের ফলে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, পিকআপসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এতে জামালপুর থেকে টাঙ্গাইল, ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতকারী যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। অনেককে যানবাহন থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হতে দেখা গেছে।

বিক্ষোভকারী চালকদের ভাষ্য, গ্যাসের জন্য তাদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। অনেক সময় রাতভর অপেক্ষা করেও প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।

 ফলে দিনের শুরুতেই গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে না এবং আয়-রোজগারও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

অটোরিকশাচালক আশরাফুল বলেন, রাতভর স্টেশনে অপেক্ষা করেও গ্যাস পাননি তিনি।

গ্যাস না থাকায় গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হওয়ার সুযোগ নেই। এতে একদিকে গাড়ির জমা দেওয়ার টাকা জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে পরিবারের দৈনন্দিন খরচ চালাতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আরেক চালক সুরুজ আলী অভিযোগ করেন, গ্যাস সরবরাহে অনিয়মের কারণে অনেক চালক প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাচ্ছেন না। তাঁর দাবি, দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার পাশাপাশি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

চালকরা জানান, গ্যাস সংকট দীর্ঘায়িত হলে তাদের আর্থিক ক্ষতি আরও বাড়বে। তাই দ্রুত পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তারা।

এদিকে সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন। জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার বলেন, অবরোধকারী চালকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

অবরোধের কারণে সকাল থেকেই মহাসড়কে ব্যাপক যানজট তৈরি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান করে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন যাত্রী ও পরিবহনসংশ্লিষ্টরা।