বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের উদ্যোগে সিপিসির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও লং মার্চ বিজয় উদযাপন
By কূটনৈতিক প্রতিবেদক | বেঙ্গল টাইমস, প্রকাশ: ৪ জুলাই, ২০২৬
ঢাকা: বাংলাদেশে চীনের দূতাবাসের উদ্যোগে কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না (সিপিসি)-এর প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী এবং ঐতিহাসিক লং মার্চ বিজয়ের ৯০তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
গত ১ জুলাই অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে ৫০০-রও বেশি অতিথি অংশ নেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কর্মকর্তা, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এবং চীন ও বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।‘
মহান যাত্রা, অভিন্ন ভবিষ্যৎ’ (Great Journey, Shared Future) প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আলোকচিত্র ও ভিডিও প্রদর্শনী, বইমেলা এবং পার্টির ইতিহাসবিষয়ক বিশেষ বক্তৃতার আয়োজন করা হয়।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে চীনের বিপ্লবী ঐতিহ্যভিত্তিক ‘সেন্ডিং অফ দ্য রেড আর্মি’ এবং *‘ভাস্ট টেরিটরি’*সহ একাধিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার ইতিহাস, চীনের আধুনিকায়নের অগ্রযাত্রা এবং লং মার্চের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে আলোকচিত্র ও ভিডিও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে ‘চীনা আধুনিকায়ন ও কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার গল্প’ শীর্ষক একটি বইমেলাও অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া পার্টির ১০৫ বছরের ইতিহাস, রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা এবং চীনের উন্নয়নযাত্রা নিয়ে একটি বিশেষ বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়।চীনা দূতাবাস জানায়, এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের কাছে কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার ১০৫ বছরের সংগ্রামের ইতিহাস এবং লং মার্চের চেতনার তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে।
একই সঙ্গে ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং বিপ্লবী বীরদের স্মরণ করার লক্ষ্যও ছিল এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা চীনের ইতিহাস, আধুনিকায়ন এবং দুই দেশের সহযোগিতা বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব আরও জোরদার, পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান কৌশলগত সহযোগিতা ভবিষ্যতেও আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা আশাবাদী।
পাশাপাশি নতুন যুগে দুই দেশের মধ্যে অভিন্ন ভবিষ্যতের অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, প্রদর্শনী পরিদর্শন এবং অংশগ্রহণকারীদের পারস্পরিক মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।