হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুন ২৯, ২০২৬

হাসপাতালে ভর্তি না করে কারাগারে ফেরত পাঠানোর অভিযোগ: ডা. দীপু মনির চিকিৎসা নিয়ে উদ্বেগ

By বিশেষ প্রতিবেদক | বেঙ্গল টাইমস, ঢাকা | ২৯ জুন, ২০২৬

052cc5f7-3982-42d2-afc3-b73f1ac49ef7

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরও ভর্তি না করে পুনরায় মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় রাজনৈতিক মহল ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।কারাসংশ্লিষ্ট সূত্র ও প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ১৭ জুন থেকে কারাগারে অবস্থানকালে ডা. দীপু মনি শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করছিলেন। এর মধ্যে একবার গভীর রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি চিকিৎসা শেষে একই রাতে আবার কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

সর্বশেষ রোববার গভীর রাতে তার শারীরিক অবস্থার পুনরায় অবনতি ঘটে বলে জানা যায়। বুকে তীব্র ব্যথা, চাপ অনুভব এবং উচ্চমাত্রার জ্বর দেখা দিলে প্রথমে তাকে মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন বিবেচনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে সেই পরামর্শ অনুসরণ না করে তাকে পুনরায় মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, একজন বন্দির যথাযথ চিকিৎসা পাওয়া তার মৌলিক ও আইনি অধিকার। গুরুতর অসুস্থতার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত না করা মানবিক ও আইনি উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই উদ্বেগের বিষয়।

এদিকে ডা. দীপু মনির চিকিৎসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও মহল তার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তাদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয় বা মতপার্থক্য নির্বিশেষে একজন অসুস্থ বন্দির প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।তবে এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।