হোম রাজনীতি জাতীয় আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলাধুলা বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি তথ্যপ্রযুক্তি আবহাওয়া মতামত
Bengal Times
Published জুন ২৮, ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফলে বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫

By পটুয়াখালী প্রতিনিধি | বেঙ্গল টাইমস | ২৮ জুন ২০২৬

IMG_7594

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির আয়োজিত একটি বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং কালাইয়া ও দাসপাড়া এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, শনিবার রাতে দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী আজম চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি কালাইয়া বন্দরের রিয়াজ মোল্লা

বিপণিবিতান এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় সার ব্যবসায়ী আবদুল হাইকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। তবে তিনি ঘটনাস্থল থেকে সরে গিয়ে রক্ষা পান।

এর কিছুক্ষণ পর দাসপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পাল্টা সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বিএনপির অভিযোগ, আবদুল হাইয়ের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যবহৃত প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

আহতদের মধ্যে মো. আল মামুন (৪০), মো. কাওছার (৩৫) এবং মো. মাকসুদুর রহমান (২৮)-কে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

ঘটনার জন্য বিএনপি আবদুল হাইকে দায়ী করে দাবি করেছে, তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং পরিকল্পিতভাবে বিক্ষোভ মিছিলে হামলা চালিয়েছেন। তবে আবদুল হাইয়ের পরিবারের একজন সদস্য দাবি করেন, প্রথমে তাঁর ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, আবদুল হাইয়ের বাবা প্রয়াত আবদুস ছালাম আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে আবদুল হাই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় জামায়াত সমর্থিত এক প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছিলেন বলেও এলাকায় আলোচনা রয়েছে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।